দিনাজপুরের একটি প্রত্যন্ত গ্রাম করিমুল্লাপুর। এই গ্রামের জমিলা বেগম একটি মুরগির খামার করে। হঠাৎ করে খামারের ৪টি মুরগি মারা গেল। মৃত্যুর পূর্বে তারা চুনের মতো মলত্যাগ করেছিল। প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জমিলা বেগমকে দ্রুত রাসায়নিক জৈব প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে পরামর্শ দিলেন, যাতে খামারের অন্য মুরগিগুলো নিরাপদ থাকে।
পোল্ট্রির মধ্যে রাঁজহাসই মানুষ প্রথম পালন করে। অন্যান্য পোল্ট্রির তুলনায় রাঁজহাসের বৃদ্ধি বেশি হয়।
রাজহাঁস হতে অধিক মাংস পাওয়া যায়। ১০ সপ্তাহে ৫ কেজির বেশি ওজন হয়। এরা বছরে ২০-৩০টি ডিম দেয়। প্রাপ্ত বয়স্ক হাঁসের ওজন ১০-১৫ কেজি হয়। এরা সব ধরনের আবহাওয়াতেও খাপ খাওয়াতে পারে। ঘাস খায় বলে সম্পূরক খাদ্য কম লাগে। রাঁজহাস ফসলের জমির আগাছা খেয়ে পা দিয়ে মাটি নিড়ানির কাজ করে। বিছানা ও পোশাক তৈরিতে এর নরম পালক ব্যবহার করা হয়। উৎপাদন খরচ কম বলে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে সহজেই রাজহাস পালন করে লাভবান হওয়া যায়।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?